ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
মুক্ত ভাবনামুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

শহীদ বেদীতে জামায়াতের রাজনীতির ফুল

মুস্তাফিজুর রহমান রূপম
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
শহীদ বেদীতে জামায়াতের রাজনীতির ফুল

ইতিহাসে প্রথমবার একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেল জামায়াতে ইসলামী। দলটি তাদের সঙ্গে একজন ‘ভাষাসৈনিক’কেও নিয়ে গেছে। তিনি যদিও বেঁচে নেই তার নামে স্লোগানে মুখরিত করেছে শহীদ মিনার চত্বর–‘ভাষাসৈনিক গোলাম আযম–লও লও লও সালাম’। প্রদর্শনটা এমন ছিল দেখ, ভাষা আন্দোলনটা কিন্তু আমাদেরও। ভাষাসৈনিক গোলাম আযম আমাদের।

এই গোলাম আযমের হাতেই পূর্ব পাকিস্তানে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির বিস্তার ঘটেছিল এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন দলটির পূর্ব পাকিস্তান শাখার আমির। তার নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানি বাহিনীর দোসরের ভূমিকা পালন করেছে যুদ্ধের পুরোটা সময়। তাদের গড়া রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামসের নির্যাতনের ইতিহাস নতুন করে বলবার দরকার নেই।

যদিও জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অবিভক্ত ভারতে ১৯৪১ সালে এবং দলটি পাকিস্তান নামক দেশটির জন্মেরও বিরোধিতা করেছিল, পরে সেই পাকিস্তান রক্ষার নামে তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় অংশ নিয়েছে।

মাওলানা সাইয়েদ আবুল আলা মওদূদী ১৯৪১ সালে ২৬ অগাস্ট লাহোরের ইসলামিয়া পার্কে সামাজিক-রাজনৈতিক ইসলামী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ‘জামায়াতে ইসলামী হিন্দ’ নামে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। গোলাম আযম তখন তরুণ এবং তখন ওই সংগঠনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল না। আরও পরে ১৯৪৮ সালের ২৭ নভেম্বর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের কাছে ডাকসুর জিএস হিসেবে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে যখন মানপত্র তুলে দিয়েছিলেন, তখনও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তার কোনো সংযোগ ছিল না। তিনি ১৯৫২ পর্যন্ত ডাকসুর জিএস ছিলেন। কাজেই ভাষা আন্দোলনে গোলাম আযমের হয়তো আরও অনেক ভূমিকা ছিল–অন্তত তার দল জামায়াতে ইসলামী এমনটাই দাবি করে থাকে। যদিও বিরুদ্ধবাদীদের মতে, লিয়াকত আলী খানের উপস্থিতিতে মানপত্র পাঠের গৌরবটুকু ঘটনাচক্রে অর্জিত হয়েছিল তার।

‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’ নামে ২০১২ সালের দিকে একটা সিডি বাজারে ছেড়েছিল জামায়াতে ইসলামী। তাতে বদরুদ্দীন উমরসহ বেশ কজন বিশিষ্ট মানুষের নাম রয়েছে যারা গোলাম আযমকে ভাষা আন্দোলনের মহান সৈনিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। ভাষা আন্দোলন সবচেয়ে বিস্তৃত ও বস্তুনিষ্ঠ গবেষণাটি করেছেন যে বদরুদ্দীন উমর, তিনি এ ঘটনায় ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তখনই তার কলামে জামায়াতের এ দাবিকে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বলে উল্লেখ করে লিখেন, ক্যাসেট তৈরির সময় তিনি কোনো তথ্য সহায়তা দেননি এবং বিষয়টি তিনি জানতেনও না। ওই কলামে তিনি লিখেছিলেন, “আমি আমার ভাষা আন্দোলনের বইটির প্রথম খণ্ডে একবারই মাত্র গোলাম আযমের উল্লেখ করেছি।

১৯৪৮ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন। ২৭ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এক সমাবেশে ভাষণ দেন। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাকে একটি মানপত্র দিয়ে তাতে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়। এ মানপত্রটি পাঠ করেন ইউনিয়নের তৎকালীন সেক্রেটারি গোলাম আযম। আসলে এটি পাঠ করার কথা ছিল ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট অরবিন্দ বোসের। কিন্তু লিয়াকত আলীকে ভাষা আন্দোলনের দাবি সংবলিত মানপত্র পাঠ একজন হিন্দু ছাত্রকে দিয়ে করালে তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে এবং মুসলিম লীগ সরকার এ নিয়ে নানা প্রকার বিরূপ প্রচার শুরু করবে—এ আশঙ্কা থেকেই একজন মুসলমান ছাত্র হিসেবে সেক্রেটারি গোলাম আযমকে সেটা পাঠ করতে দেওয়া হয়েছিল।”

গোলাম আযমের নিজের লেখা ‘জীবনে যা দেখলাম’ আত্মজীবনীতেও ওই দিনের ঘটনার প্রায় অভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। ভাষা আন্দোলনে তার ভূমিকা বড় না ছোট, তার চেয়ে বড় কথা হলো তিনি নিজেই পরবর্তী সময়ে ১৯৭০ সালে ভাষা আন্দোলনে তার সম্পৃক্ততা নিয়ে আক্ষেপ করেছিলেন। ওই বছর ১৮ জুন পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুর নামে এক শহরে তার সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় তিনি বলেন, উর্দু পাকিস্তান ও ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের সাধারণ ভাষা হওয়া উচিত এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তার অংশগ্রহণ ভুল ছিল—যার উল্লেখ ১৯ জুন ১৯৭০ সালের ‘দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকায় পাওয়া যায়। ফলে ভাষা আন্দোলনে তার ভূমিকা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বয়ান ও বিতর্কের অস্তিত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এই ভিন্ন বয়ানের কারণ ঐতিহাসিক। ১৯৭০ সালে গোলাম আযম যখন ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে গ্লানি বোধ করছিলেন, ততদিনে আসলে বাংলাদেশের আগমনী ধ্বনি শুনতে পাওয়া যাচ্ছিল। বাংলাদেশ নামক স্বতন্ত্র দেশের সূত্রপাত কিন্তু পাকিস্তানিরা করে দিয়েছিল ভাষা আন্দোলনের সময় থেকে। ভাষার দাবিতে যে আন্দোলন শুরু হয় ১৯৪৮ সালে সেটি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে এসে ব্যাপকতা পায়। রক্ত ঝরে ঢাকার রাজপথে। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাংলা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে একুশে ফেব্রুয়ারি তাই কেবল একটি তারিখ নয়, এটি একটি অসাম্প্রদায়িক এবং আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের দার্শনিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠার দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে রাজপথের রক্তক্ষরণ দ্বিজাতি তত্ত্বের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তান রাষ্ট্রের সাম্প্রদায়িক কাঠামোকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। একুশের সেই চেতনার ধারাবাহিকতাই আমাদের নিয়ে গিয়েছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে।

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ইতিহাসের এই সত্য জেনে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাওয়া কঠিন কাজ। শুরুতে বলছিলাম, ইতিহাসে এই প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। কথাটা যে ‘অর্ধসত্য’ হয়ে গেছে, তা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে দিয়েছেন শহীদ বেদীতে ফুল দেওয়ার পর এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে।

“এতদিন তো জামায়াত কখনো ফুল দিতে আসেনি শহীদ মিনারে এবার কী মনে করে এলেন?”—এই প্রশ্ন করেন সেই সাংবাদিক। জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, “রাষ্ট্রীয় আচার হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব। বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সঙ্গীদের নিয়ে আমাকে আসতে হবে তাই আমি এসেছি।” এরপর শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে জামায়াত এখনো ‘নাজায়েজ’ মনে করে কি না—প্রশ্ন আসে সাংবাদিকের পক্ষ থেকে। জবাবে কিছুটা ক্ষুব্ধ হন শফিকুর রহমান। অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে তিনি বলেন, “আপনি এই প্রশ্ন কেন আজকে করছেন? এইরকম একটা পবিত্র দিনে এমন প্রশ্ন না করাই ভালো।” শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণকে যারা নাজায়েজ মনে করতেন, ‘শিরক’ বলতেন—তারাই ফুলের ডালা হাতে শহীদ মিনারে গিয়েছেন রাষ্ট্রীয় আচার মানতে হবে বলে, বিরোধী দল হিসেবে, নিজ দল জামায়াতে ইসলামী হয়ে যায়নি। ব্যাপারটা যে তাদের জন্য যথেষ্ট অস্বস্তিকর ছিল, সেটা অন্যদের মধ্যে তীব্রভাবে প্রকাশ না পেলেও শহীদ বেদীতে রাজনীতির ফুল দেওয়ার সময় শফিকুর রহমানের শরীরী ভাষায় স্পষ্ট ছিল।

এই প্রসঙ্গে একটা গল্পের কথা মনে পড়ে যায়। গল্পটি এমন যে একজন মাওলানা গরমকালে এক ভক্ত পরিবারে আতিথ্য গ্রহণ করেছেন। রাতের খাবারের পর তার ঘুমের ব্যবস্থা করা হলো। শাড়ি দিয়ে তৈরি কাঁথা তাকে দেওয়া হয়েছে গায়ে দেওয়ার জন্য। দেখে তিনি ফতোয়া দিলেন যে মহিলাদের শাড়ি দিয়ে তৈরি কাঁথা নাপাক, কাজেই এটা গায়ে দেওয়া তার জন্য নাজায়েজ। একই মাওলানা আবার এক শীতের রাতে ওই বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণ করলেন। সে রাতে তাকে কোনো কাঁথা দেওয়া হলো না। এক পর্যায়ে তিনি গৃহকর্তার কাছে জানতে চান, কেন তাকে গায়ে দেওয়ার মতো কোনো শীতবস্ত্র দেওয়া হচ্ছে না। উত্তরে গৃহকর্তা জানান তাদের বাসায় শাড়ি দিয়ে তৈরি কাঁথা ছাড়া দেওয়ার মতো আর কিছু নেই। জবাবে সেই মাওলানা সে সমস্তই দিতে বললে গৃহকর্তা বলেন যে গতবার তাকে কাঁথা দেওয়া হলে তিনি বলেছিলেন মহিলাদের শাড়ি দিয়ে তৈরি কাঁথা গায়ে দেওয়া নাপাক, নাজায়েজ। এবার মাওলানা সাহেব বলেন তিনি ওই কথা বলেছিলেন গরমকালে এখন শীতকাল; গরমকালের ফতোয়া শীতকালে চলে না। যদি শীতে গায়ে দেওয়ার মতো কম্বল সঙ্গে থাকত, তখন মাওলানা শাড়ি দিয়ে বানানো কাঁথা গায়ে দেওয়াটা খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেন কী?

ভাষা নিয়ে আবেগে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাওয়া জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দর্শনের সঙ্গে খাপ খায় না। তবুও পরিস্থিতির চাপে তাদের এই ‘রাষ্ট্রীয় আচার’ পালন মূলত ক্ষমতা ধরে রাখা এবং আরও ক্ষমতা আহরণের কৌশল। সেই মাওলানার গল্পের মতোই, গরমকালের নাপাক কাঁথা শীতকালে যেমন জায়েজ হয়ে যায়, তেমনি রাজনৈতিক শীতকাল কাটাতে জামায়াতের কাছেও এখন একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনার ‘জায়েজ’ হয়ে উঠেছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, রাজনৈতিক কৌশলের এই পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নয় বরং ইতিহাসের সঙ্গে নতুন চাতুরি। ঘটনাচক্রে এবারের নির্বাচনেই যদি তারা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যেত তাহলে একুশে ফেব্রুয়ারির এই রাষ্ট্রীয় আচার কি পালিত হতে পারত?

লেখক: প্রধান নির্বাহী, ভাবনা

প্রথম প্রকাশ: বিডিনিউজ২৪.কম | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘অসৎ মানুষের হাতে এআই গেলে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে’

১

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র / বাংলাদেশে জ্বালানি নিয়ে আসা বিমানকে আকাশসীমায় ঢুকতে দেয়নি পাকিস্তান

২

শহীদ তাজুলের স্মৃতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তরুণ প্রজন্ম

৩

ফুলেল শ্রদ্ধায় শহীদ মিনারে আখতার হুসেনকে শেষবিদায়

৪

রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের ইউনাইটেড রাশিয়া

৫

জামায়াত এমপি নজরুলের বাসায় উদ্ধারকৃত চিঠিতে মরিয়মের যা লেখা

৬

জামায়াত এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও প্ররোচনার মামলা

৭

সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড: কবিতা, গান ও ক্যানভাসে শরণার্থী জীবনের করুণ আখ্যান

৮

যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত দিল ইরান, না মানলে ‘চূড়ান্ত যুদ্ধ’

৯

নজিরবিহীন জালিয়াতি / বাংলাদেশ ব্যাংকে পদ ছাড়াই ৩৬৫ জনের নিয়োগ ও পদোন্নতি

১০

অপ্রতিম হত্যা: কিশোর গ্যাং, অপরাধ চক্র ও পুলিশের ভূমিকা

১১

আজ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’

১২

‘বারবার মামলা না দিয়ে গুলি করে মেরে ফেলেন’

১৩

আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক

১৪

সিঙ্গাপুরেও মিলল বাড়ি ও ব্যাংক হিসাব / সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ১০ হাজার কোটি টাকার বিদেশি সম্পদ জব্দ

১৫

​​​​​​​শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ চারজনের মধ্যে ৩ জনের লাশ উদ্ধার

১৬

মোদী-পেজেশকিয়ান বৈঠক: মধ্যপ্রাচ্য সংকটে সংলাপ ও নিরাপদ সমুদ্রপথের তাগিদ

১৭

গুলশানে আ’লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৩২

১৮

সমকাল কার্যালয়ে সাবেক ব্যুরো প্রধানের লাশ উদ্ধার

১৯

রংপুরে চার খুন: নেপথ্যে স্থানীয় বিএনপি নেতা, গৃহশিক্ষিকা ও পুলিশ কর্মকর্তা

২০