ঢাকা সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মুক্ত ভাবনামুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

১ জুন ১৯৭১: নগরকান্দা গণহত্যা, রণাঙ্গনে বিজয় ও বিশ্ব কূটনীতির নতুন মোড়

প্রিয়ভূমি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
১ জুন ১৯৭১: নগরকান্দা গণহত্যা, রণাঙ্গনে বিজয় ও বিশ্ব কূটনীতির নতুন মোড়

১৯৭১ সালের ১ জুন ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও ঘটনাবহুল দিন। মে মাসের রক্তক্ষয়ী অধ্যায় পেরিয়ে জুন মাসের প্রথম দিনটিতেই একদিকে ফরিদপুরের নগরকান্দায় সংঘটিত হয় এক নির্মম ও বর্বরতম গণহত্যা, অন্যদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা রণক্ষেত্রে পরাক্রমশালী আক্রমণ চালিয়ে মুক্তাঞ্চল গঠন করেন। একই সাথে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে এবং ভারতের নীতিনির্ধারণী মহলে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা তীব্রতর হয়ে ওঠে।

১. দেশজুড়ে বর্বর গণহত্যা ও পাকিস্তানি দোসরদের তাণ্ডব

নগরকান্দা গণহত্যা (ফরিদপুর)

১ জুন ফরিদপুর জেলার নগরকান্দার বেশ কয়েকটি গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় এক পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ চালায়।

পটভূমি: ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল এর দুদিন আগে, ২৯ মে। ওই দিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নগরকান্দার চাঁদহাটে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ক্যাম্পে আকস্মিক আক্রমণ করে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বীর মুক্তিযোদ্ধারা এবং এলাকার সাধারণ মানুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একজোট হয়ে দোর্দণ্ড প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘোড়ামারা বিল, দিঘলিয়া বিল এবং দমদম খালে দিনভর চলা সেই ঐতিহাসিক গণপ্রতিরোধ ও সম্মুখ যুদ্ধে ২৬ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়।

হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগ: নিজেদের ২৬ সেনার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ফরিদপুর সদর থেকে আরও বিপুল পরিমাণ সৈন্য ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র নগরকান্দায় পাঠায়। ১ জুন ভোরে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা নগরকান্দার কোদালিয়া, ছোট শ্রীবর্দি, বাগাট, ঈশ্বরদী, শেখরকান্দি, ঘোনাপাড়া, রঘুরদিয়া, পুরাপাড়া, ছোট পাইককান্দি, বড় পাইককান্দি এবং বাস্তপুটিসহ প্রায় ১১টি গ্রাম চারদিক থেকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। এরপর সেখানে নির্বিচারে চালানো হয় গণহত্যা ও পাশবিক নির্যাতন। এই নারকীয় তাণ্ডবে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ৩৮ জন নিরীহ বাঙালি শহীদ হন। গণহত্যা শেষে হায়েনারা গান পাউডার দিয়ে অজস্র ঘরবাড়ি ও ফসলের গোলা জ্বালিয়ে সম্পূর্ণ ছাই করে দেয়।

ঝালকাঠি ও বাগেরহাটে পিস কমিটির বর্বরতা

নলছিটি (ঝালকাঠি): ১ জুন ঝালকাঠির নলছিটির বিরাট গ্রাম থেকে স্থানীয় রাজাকারেরা বরিশাল জেলা আদালতের প্রখ্যাত আইনজীবী জিতেন্দ্রলাল দত্ত, তাঁর ছেলে বিশিষ্ট সাংবাদিক মিহিরলাল দত্ত, সুধীরলাল দত্তসহ একই পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য এবং তাঁদের প্রতিবেশীদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায়। পরে তাঁদেরকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে সোপর্দ করা হয়, যাঁদের আর কখনো ফিরে পাওয়া যায়নি।

শরণখোলা (বাগেরহাট): কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী মাওলানা এ কে এম ইউসুফের প্রত্যক্ষ নির্দেশে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারেরা বাগেরহাটের শরণখোলা থানার একটি দোতলা ভবনে নতুন সামরিক ক্যাম্প স্থাপন করে। সেখান থেকে শরণখোলা ও আশপাশের অঞ্চলের আওয়ামী লীগ এবং ভাসানী ন্যাপের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে ধরপাকড়, নির্যাতন ও ঘরবাড়ি লুটপাট শুরু হয়।

ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহে পাকিস্তানি সেনারা মুক্তিবাহিনীর গোপন আস্তানাগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। এ সময় তারা শহরের বেশ কয়েকজন তরুণকে অবরুদ্ধ ও গ্রেপ্তার করে এবং পরে নির্মম পৈশাচিকতায় তাঁদের হত্যা করা হয়।

২. রণাঙ্গনের বীরত্বগাথা: মন্দভাগ ও শালদানদী মুক্ত এবং প্রথম মুক্তাঞ্চল

১ জুন দেশের বিভিন্ন সেক্টরে বীর মুক্তিযোদ্ধারা অসামান্য সামরিক সাফল্য অর্জন করেন:

মন্দভাগ ও শালদানদী পুনরুদ্ধার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া/কুমিল্লা): ২ নম্বর সেক্টরের মন্দভাগ ও শালদানদী এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র ও ক্রমাগত আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা অবস্থান ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তারা মন্দভাগ ত্যাগ করে নয়নপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে নতুন ঘাঁটি স্থাপন করলে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্দভাগ ও শালদানদী এলাকা সম্পূর্ণভাবে মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

গোপালগঞ্জের রাজপুরে স্বাধীন বাংলার পতাকা: ১ জুন গোপালগঞ্জের রাজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি ও রাজাকারদের হটিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত পতাকা উত্তোলন করেন। তৎকালীন বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগের অধীনে রাজপুরই সর্বপ্রথম শত্রুযুক্ত ‘মুক্তাঞ্চল’ হিসেবে গৌরবময় প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

চাঁদগাজী প্রতিরক্ষা ব্যূহ (ফেনী): ১ জুন মুক্তিবাহিনীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চাঁদগাজী প্রতিরক্ষা ব্যূহের কমান্ডে পরিবর্তন আসে। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন অলির (পরবর্তীতে কর্নেল অলি আহমদ) স্থলাভিষিক্ত হন ক্যাপ্টেন শামসুল হুদা।

৩. প্রবাসী সরকারের সংসদীয় প্রতিনিধি দলের দিল্লি সফর

১ জুন ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধি দল ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি এবং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে পৃথক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতকারে মিলিত হন।

প্রতিনিধি দলের গঠন: এই তিন সদস্যের বিশেষ সংসদীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ফণীভূষণ মজুমদার। দলের বাকি দুই সদস্য ছিলেন জাতীয় পরিষদের সদস্য নূরজাহান মুরশিদ এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন।

সহযোগিতার আশ্বাস: বৈঠকে প্রতিনিধি দল বাংলাদেশকে দ্রুত আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ভারতের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোর দাবি জানান। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি প্রায় ২০ মিনিট এবং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দীর্ঘ ৪৫ মিনিট ধরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের বক্তব্য শোনেন। ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "ভারত বাংলাদেশকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।"

লোকসভায় ফণীভূষণ মজুমদারের ভাষণ: সাক্ষাতকার শেষে এই প্রতিনিধি দল ভারতের লোকসভায় (সংসদ ভবন) এক ঐতিহাসিক বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁরা ভারতীয় সাংসদদের সামনে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পটভূমি ও পাকিস্তানের গণহত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরেন। ফণীভূষণ মজুমদার তাঁর বক্তব্যে দৃঢ়তার সাথে বলেন:

"গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে ভারতের দ্বিধা আমাদের বোধগম্য নয়। ভারত সম্ভবত পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক জটিলতা এড়াতে চাইছে। তবে পাকিস্তানের অপপ্রচারের ভয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করা ঠিক হবে না। বাংলাদেশ এখন একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। আজ হোক কিংবা কাল—পাকিস্তানি হানাদারেরা এই মাটি ত্যাগ করতে বাধ্য হবেই।"

৪. আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও বিশ্ব গণমাধ্যমের চিত্র

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শক্তি বৃদ্ধি: ১ জুন পাকিস্তান সরকার পশ্চিম জার্মানির একজন পেশাদার সাংবাদিকের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় যে, ভারতের অভ্যন্তরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মুখপত্র ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ নতুন উদ্যমে এবং আরও শক্তিশালী মাধ্যমে চালু হয়েছে। এর আগে ভারতের আগরতলা থেকে এটি মাত্র ১ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সমিটার দিয়ে পরিচালিত হলেও, ১ জুন থেকে এটি শক্তিশালী তরঙ্গে সম্প্রচার শুরু করে, যা পাকিস্তানি নীতিনির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেয়।

খান আবদুল গাফফার খানের প্রস্তাব: আফগানিস্তানের কাবুল থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা ‘ক্যারাভান’ পাখতুন নেতা ও সীমান্ত গান্ধী খান আবদুল গাফফার খানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি প্রকাশ করে। তিনি বলেন, তিনি এখনো শেখ মুজিবুর রহমান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক জান্তার মধ্যে মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত, যদি সামরিক বাহিনী ক্ষমতা হস্তান্তর করে। তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তান তো বটেই, সমগ্র পাকিস্তানেই শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। তাদের হাতে ক্ষমতা না দিয়ে পাঞ্জাবি যুদ্ধবাজ ও ক্ষমতালিপ্সু ধনিক শ্রেণি দেশের ওপর অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের আগরতলা সফর: পূর্ব বাংলা থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে দেখার জন্য ১ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জাপান, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও নরওয়েসহ বিভিন্ন দেশের ১১ জন প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ত্রিপুরার আগরতলার বিভিন্ন সীমান্ত শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন।

লন্ডনে পাকিস্তানের কাউন্টার-প্রচারণা: লন্ডনে অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনের মুখপত্র ‘پاکستان نیوز’ (পাকিস্তান নিউজ) অবরুদ্ধ ঢাকায় অবস্থানরত বাংলাদেশের ৫৫ জন বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও শিল্পীর সই করা একটি তথাকথিত ‘গণবিবৃতি’ প্রকাশ করে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। প্রকৃতপক্ষে, মে মাসের ১৬ তারিখে অবরুদ্ধ ঢাকায় পাকিস্তানি সামরিক গোয়েন্দাদের বন্দুকের নলের মুখে এই বুদ্ধিজীবীদের দিয়ে জোরপূর্বক ওই বিবৃতিতে সই করানো হয়েছিল।

৫. অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ও শান্তি কমিটির তৎপরতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাজে যোগদান: ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের প্রায় সবাই নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। অবরুদ্ধ অবস্থার সত্যতা আড়াল করতে ওই বিজ্ঞপ্তিতে ড. এম এন হুদা, ড. এ বি এম হাবিবুল্লাহ, ড. এম ইন্নাস আলী, ড. এ কে নাজমুল করিম, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, ড. নীলিমা ইব্রাহিম, ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং ড. এ কে রফিকুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত শিক্ষকের নাম সুনির্দিষ্টভাবে প্রচার করা হয়।

দিলকুশায় নতুন শান্তি কমিটি: ১ জুন পাকিস্তান শান্তি ও কল্যাণ কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল মওলানা নুরুজ্জামানের উপস্থিতিতে ঢাকার দিলকুশা এলাকায় একটি নতুন ‘শান্তি কমিটি’ গঠন করা হয়। ৩০ সদস্য বিশিষ্ট এই দেশদ্রোহী কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক মনোনীত হন যথাক্রমে জামশেদ আলী ও আমীর বকশ।

তথ্যসূত্র

১. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: ভিত্তিক সপ্তম, অষ্টম, নবম, দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ খণ্ড।

২. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: সেক্টরভিত্তিক ইতিহাস (সেক্টর দুই ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মুক্তাঞ্চল অধ্যায়)।

৩. দৈনিক পাকিস্তান, ২ ও ৩ জুন ১৯৭১।

৪. দৈনিক পূর্বদেশ, ২ জুন ১৯৭১।

৫. দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা (ভারত), ২ জুন ১৯৭১।

৬. দৈনিক अमृतবাজার পত্রিকা (Amrita Bazar Patrika) (ভারত), ২ জুন ১৯৭১।

৭. ফরিদপুর ও নগরকান্দা অঞ্চলের গণহত্যা জরিপ রিপোর্ট — ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি।

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তোফায়েল আহমেদ / বর্ণাঢ্য রাজনীতির এক ফিনিক্স পাখি

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ আর নেই

১ জুন ১৯৭১: নগরকান্দা গণহত্যা, রণাঙ্গনে বিজয় ও বিশ্ব কূটনীতির নতুন মোড়

৩১ মে ১৯৭১: ‘সমঝোতার সুযোগ নেই’, বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ও রণাঙ্গনের খণ্ডচিত্র

৩০ মে ১৯৭১: রক্তক্ষয়ী গণহত্যা, রণাঙ্গনের প্রতিরোধ ও বিশ্ব কূটনৈতিক অঙ্গন

রক্তস্নাত বুরুঙ্গা গণহত্যা (সিলেট)

২৬ মে ১৯৭১: রক্তক্ষয়ী গণহত্যা, প্রতিরোধ ও বিশ্ব রাজনীতির অঙ্গন

ভীমনালী গণহত্যা: যে নির্মম ট্র্যাজেডি আজও এক উপেক্ষিত

২২ মে ১৯৭১: গণহত্যা, প্রতিরোধ ও আন্তর্জাতিক কূটনীতি

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার: কার ইশারায় ঢুকছে মাদক?

১০

হত্যা মামলায় রক্তাক্ত সাংবাদিকতা

১১

১৮ মে ১৯৭১: পাকিস্তানের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদ ও কূটনৈতিক যুদ্ধ

১২

জাতীয় জাদুঘর থেকে বঙ্গবন্ধু কর্নার উধাও: ইতিহাস বিকৃতির আশঙ্কা

১৩

হামে শিশু মৃত্যু ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন, ১০ দফা দাবি

১৪

কক্সবাজারে হামের ভয়াবহ রূপ / ২০ বেডে ৮৭ শিশু

১৫

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ / গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না

১৬

৩ বিভাগে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা: সিলেটে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

১৭

দ্য প্রাইম মিনিস্টার-এ ফ্যামিলি ম্যান!

১৮

পেস ত্রয়ীকে বিশ্রাম দিয়ে তরুণ দল পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

১৯

লক্ষ্য বড় চুক্তি / বাণিজ্য যুদ্ধ ও ইরান উত্তাপের মধ্যেই বেইজিং যাচ্ছেন ট্রাম্প

২০