ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মুক্ত ভাবনামুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

১১ জুন ১৯৭১: বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে সংহতি

প্রিয়ভূমি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ০২:২০ পিএম
১১ জুন ১৯৭১: বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে সংহতি

১৯৭১ সালের ১১ জুন ছিল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে একদিকে লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী মহল বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও মানবিক সংকটের পক্ষে ঐতিহাসিক সংহতি প্রকাশ করেন, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার বিরুদ্ধে কূটনৈতিক চাপ এবং দেশের অভ্যন্তরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ তীব্রতর হয়ে ওঠে।

১. আর্জেন্টিনার বুদ্ধিজীবী মহলের ঐতিহাসিক সংহতি ও স্মারকলিপি

১১ জুন লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এক অভূতপূর্ব বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ঘটে। দেশটির প্রথম সারির লেখক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিত্রশিল্পী, বিচারক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি. লুইস মারিয়া ডি পাবলো পার্ডোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের কোটি শরণার্থীর জন্য জরুরি মানবিক সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে একটি জোরালো স্মারকলিপি পেশ করেন।

এই স্মারকলিপিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ছিলেন—বিশ্ববিখ্যাত লাতিন আমেরিকান কথাসাহিত্যিক জর্জ লুইস বোর্হেস (Jorge Luis Borges), বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় বন্ধু তথা স্বনামধন্য লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো (Victoria Ocampo), ফাদার ইসমাইল কুলিস এবং ই এল সালভাদর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। আর্জেন্টিনার জাতীয় পত্রিকাসমূহে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত এই স্মারকলিপিতে বলা হয়:

"পূর্ববঙ্গের সাম্প্রতিক দুঃখজনক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশাল জনসংখ্যা প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছে... পৃথিবীর যেকোনো স্থানের দুঃখ, মৃত্যু ও দারিদ্র্য পুরো মানবজাতির জন্য উদ্বেগের। তবুও এটি দুঃখজনক যে, পূর্ববঙ্গের ঘটনায় এখনও বিশ্ববিবেক পুরোপুরি জাগ্রত হয়নি। আমরা আশা করি, আমাদের সরকার নিজেদের সার্বজনীন সংহতির ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দ্রুততার সঙ্গে যথাসাধ্য সর্বোচ্চ সাহায্য করবে।"

২. বিশ্বনেতাদের দ্বারে ভারতের মন্ত্রী মিশন ও বৈশ্বিক তৎপরতা

বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং পাকিস্তান কর্তৃক চাপিয়ে দেওয়া শরণার্থী সংকটের ভয়াবহতা বিশ্ববাসীকে জানাতে ভারতের তৎকালীন মন্ত্রী ও কূটনীতিবিদেরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন।

মস্কোয় যৌথ ইশতেহার: মস্কো সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরদার শরণ সিং এবং সোভিয়েত নেতৃবৃন্দের মধ্যে বৈঠক শেষে একটি যৌথ ইশতেহার জারি করা হয়। এতে বলা হয়, অবিলম্বে পূর্ব বাংলায় এমন একটি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যাতে সেখান থেকে ভারতে উদ্বাস্তু আসা নিশ্চিতরূপে বন্ধ হয় এবং উদ্বাস্তুরা যাতে নিরাপদে ও সসম্মানে তাঁদের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন। এরপর ফরাসি চ্যান্সেলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক শেষে পশ্চিম জার্মানি এক সরকারি ইশতেহারে জানায়, ভারত একা এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না এবং তাঁরা পরিস্থিতির দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছেন।

লন্ডন ও নিউইয়র্কে জনসংযোগ: ভারতের সর্বোদয় নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণ নিউইয়র্কে এক জনাকীর্ণ সভায় বলেন, বাংলাদেশে দ্রুত শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধান না হলে পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল অশান্ত হয়ে পড়বে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম ম্যাকমাহানের সঙ্গে দেখা করে কড়া পদক্ষেপের অনুরোধ জানান ভারতের শিক্ষামন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় এবং নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী পিয়েত দে জংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শিল্পোন্নয়ন মন্ত্রী মইনুল হক চৌধুরী।

ইন্দিরা গান্ধীর হুশিয়ারি: ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আসামের শরণার্থী শিবির পরিদর্শনকালে দৃঢ়তার সাথে বলেন, “পূর্ব বাংলায় যা ঘটেছে, তা শুধু পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার নয়। বিশ্বজুড়ে পাকিস্তানের বর্বরতার কাহিনি প্রচারিত হয়েছে এবং ভারত সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গভীরভাবে বিবেচনা করছে।"

৩. জাতিসংঘে বাংলাদেশের আবেদন ও বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর হুশিয়ারি

আবদুস সামাদ আজাদের চিঠি: বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ দূত আবদুস সামাদ আজাদ নয়াদিল্লি থেকে জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্টের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র পাঠান। আবেদনে তিনি বলেন, পাকিস্তানের সামরিক জান্তা বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করছে, তাই প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়া হোক। একই সাথে তিনি বঙ্গবন্ধুর মুক্তি এবং সেনা প্রত্যাহারে ইয়াহিয়া সরকারকে বাধ্য করতে পাকিস্তানের ওপর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের দাবি জানান।

আবু সাঈদ চৌধুরীর সাক্ষাৎকার: লন্ডনের ‘উইক এন্ড টেলিভিশন’-এর একটি অনুষ্ঠানে বিশেষ সাক্ষাৎকার দেন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের আরেক বিশেষ দূত বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “বাংলাদেশ এখন একটি স্বাধীন দেশ। পাকিস্তানি বাহিনীর এই ঘৃণ্য গণহত্যা ও নিপীড়ন অবিলম্বে বন্ধ না হলে পাকিস্তানকে এর মারাত্মক ফল ভোগ করতে হবে।”

৪. ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তোলপাড় ও টেস্ট ম্যাচ বয়কটের ডাক

হাউজ অব কমন্সে বিতর্ক: ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সে পূর্ব পাকিস্তানের গণহত্যা, ধর্ষণ ও সামরিক নির্যাতন নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। ব্রিটিশ বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা পিটার শোর পাকিস্তান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আমরা পাকিস্তানকে যে অর্থনৈতিক সাহায্য পাঠিয়েছিলাম, তা তারা পূর্ব বাংলার নিরীহ মানুষের ওপর অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ করছে। এই রক্তাক্ত খুনি পাকিস্তান কখনোই ব্রিটেনের বন্ধু হতে পারে না।” এদিন ব্রিটেনের সাধারণ মানুষ বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য বিপুল উৎসাহে ৫৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা (রুপির সমপরিমাণ) অনুদান সংগ্রহ করেন।

ক্রিকেট বয়কটের ডাক: করাচির প্রভাবশালী ‘ডন’ (Daily Dawn) পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক আলী জাফরী, যিনি পূর্বে পাকিস্তানে ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণের প্রতিবাদে দেশটির নাগরিকত্ব বর্জন করেছিলেন, তিনি লন্ডনে এক বিবৃতিতে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচগুলো বয়কট করার জন্য ব্রিটিশ জনগণের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

৫. আন্তর্জাতিক মানবিক সাহায্য ঘোষণা

১১ জুন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা থেকে বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য বিপুল সাহায্য ঘোষণা করা হয়:

সোভিয়েত ইউনিয়ন: দেশটির রেডক্রস সোসাইটি শরণার্থী শিবিরগুলোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ কলেরার টিকা, চিকিৎসা সামগ্রী, খাদ্য ও তাঁবু পাঠানোর ঘোষণা দেয়।

বেলজিয়াম: বেলজিয়াম সরকার ২০ মিলিয়ন বেলজিয়ান ফ্রাঙ্ক অনুদান দেয়।

কানাডা: কানাডিয়ান ক্যাথলিক কনফারেন্সের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার কানাডিয়ান ডলার সাহায্যের ঘোষণা দেওয়া হয়।

৬. দেশের অভ্যন্তরে দখলদারদের দালালি ও স্বাধীন বাংলা বেতারের খবর

খাজা খায়রুদ্দিন ও ইয়াহিয়া বৈঠক: পূর্ব পাকিস্তান কাউন্সিল মুসলিম লীগের সভাপতি খাজা খায়রুদ্দিন ও শফিকুল ইসলাম ইসলামাবাদে ঘাতক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সাথে দেখা করে সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান এবং বলেন, “ভারতের চর মুক্তিবাহিনী ও আওয়ামী লীগের ধ্বংস অনিবার্য।” ঢাকায় আইনজীবী জুলমত আলী এবং বগুড়া আজিজুল হক কলেজের শিক্ষক এম এ রব সেনাবাহিনীর ২৫ মার্চের গণহত্যাকে ‘দেশরক্ষা’ বলে জঘন্য সাফাই গান।

মনসুর আলীর সীমান্ত সফর: প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী পূর্বাঞ্চলের মুক্তাঞ্চল ও বেশ কিছু মুক্তিসেনা শিবির পরিদর্শন শেষে মুজিবনগরে ফিরে বলেন, "তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অদম্য মনোবল ও অনমনীয় দৃঢ়তা রয়েছে। তারা দেশকে শত্রুমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর।"

গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও বন্দী শিবির: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র জানায়, ঢাকার সামরিক কর্তৃপক্ষ ইংরেজি দৈনিক ‘মর্নিং নিউজ’-এর অধিকাংশ বাঙালি কর্মচারীকে ছাঁটাই করেছে। পত্রিকাটির কোনো সাধারণ গ্রাহক না থাকায় সেনারা ২ হাজার কপি কিনে বিমান থেকে ছুড়ে মারে। অন্যদিকে, আকাশবাণী তাদের খবরে প্রকাশ করে যে, পাকিস্তানি সেনারা সীমান্ত এলাকায় তথাকথিত 'স্বাগত কেন্দ্র' খুলেছে, যা আসলে এক একটি বন্দী শিবির (Concentration Camp)। সেখানে ভারতে পালানোরত শরণার্থীদের জোরপূর্বক আটকে রাখা হচ্ছে।

৭. রণাঙ্গনের বীরত্বগাথা: শেয়ালমারী ও কসবায় পাকবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

শেয়ালমারীর মাইন বিস্ফোরণ ও আত্মঘাতী যুদ্ধ (চুয়াডাঙ্গা): স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সন্ধ্যার খবরে জানানো হয়, চুয়াডাঙ্গার শেয়ালমারীতে মুক্তিযোদ্ধাদের নিখুঁত মাইন বিস্ফোরণে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ২টি বড় সামরিক ট্রাক সম্পূর্ণ ধ্বংস হয় এবং ২৯ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত ও ৪ জন আহত হয়। এই বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে নিকটবর্তী জীবননগর ও দর্শনা ক্যাম্প থেকে আরও একদল পাকিস্তানি সেনা ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে অন্ধের মতো দুই দল পাকিস্তানি সেনা একে অপরকে 'মুক্তিসেনা' ভেবে নিজেদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। ফলে নিজেদের গুলিতেই আরও ১৩ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়।

কসবা ও ইয়াকুবপুরের জোড়া অ্যামবুশ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ৪ নম্বর বেঙ্গলের ‘ডি’ কোম্পানির এক প্লাটুন বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার উত্তরের 'চার্নলে' পাকিস্তানি সেনাদের ওপর একটি শক্তিশালী অ্যামবুশ (অতর্কিত আক্রমণ) করেন। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন হানাদার সেনা খতম হয়। বাকি পর্যুদস্ত পাকিস্তানি সেনারা যখন জীবন বাঁচাতে ইয়াকুবপুরের দিকে পালাচ্ছিল, তখন সেখানে ওত পেতে থাকা দ্বিতীয় আরেকটি মুক্তিযোদ্ধা দলের অ্যামবুশের মুখে পড়ে। সেখানে আরও ৮ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং ১৩ জন গুরুতর আহত হয়। এই জোড়া সফল অপারেশন থেকে প্রচুর পরিমাণে আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ মুক্তিযোদ্ধাদের হস্তগত হয়।

লাকসাম অ্যামবুশ (কুমিল্লা): কুমিল্লার লাকসামে মুক্তিবাহিনীর একটি দক্ষ গেরিলা দল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একটি চলন্ত গাড়িতে সফল অ্যামবুশ পরিচালনা করে। এতে ৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয় এবং গাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া ময়মনসিংহের দুর্গাপুর ও পার্বত্য চট্টগ্রামের রামগড়েও ব্যাপক সমুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র

১. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: সপ্তম, নবম, দ্বাদশ, ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ খণ্ড।

২. বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: সেক্টরভিত্তিক ইতিহাস (সেক্টর এক, দুই ও এগারো)।

৩. মুক্তিবুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি: যুক্তরাজ্য — আবদুল মতিন, সাহিত্য প্রকাশ।

৪. দৈনিক পাকিস্তান, ১২ জুন ১৯৭১।

৫. দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ জুন ১৯৭১।

৬. দৈনিক অমৃতবাজার পত্রিকা (ভারত), ১২ ও ১৩ জুন ১৯৭১।

৭. দৈনিক কালান্তর (খুলনা), ১১ জুন ১৯৭১।

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১ জুন ১৯৭১: বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে সংহতি

সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন

৭ জুন ১৯৭১: বিশ্বমঞ্চে কূটনৈতিক তৎপরতা ও অবরুদ্ধ বাংলায় প্রতিরোধ

৬ জুন ১৯৭১: অসাম্প্রদায়িকতার ডাক, রাজনৈতিক সমাধানের ৪ শর্ত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর অতিরিক্ত মার্কিন শুল্ক, কোন দেশে কত?

বাড়ল বিদ্যুতের দাম, মূল্যস্ফীতির আগুনে নতুন চাপ

নাটোরের ছাতনী গণহত্যা

৪ জুন ১৯৭১: ছাতনীতে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, আন্তর্জাতিক চাপ ও রণাঙ্গনে প্রতিরোধ

৩ জুন ১৯৭১: জাতিসংঘে তোলপাড়, বিশ্ব জনমত গঠন ও রণাঙ্গনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত

তোফায়েল আহমেদ / বর্ণাঢ্য রাজনীতির এক ফিনিক্স পাখি

১০

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ আর নেই

১১

১ জুন ১৯৭১: নগরকান্দা গণহত্যা, রণাঙ্গনে বিজয় ও বিশ্ব কূটনীতির নতুন মোড়

১২

৩১ মে ১৯৭১: ‘সমঝোতার সুযোগ নেই’, বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ও রণাঙ্গনের খণ্ডচিত্র

১৩

৩০ মে ১৯৭১: রক্তক্ষয়ী গণহত্যা, রণাঙ্গনের প্রতিরোধ ও বিশ্ব কূটনৈতিক অঙ্গন

১৪

রক্তস্নাত বুরুঙ্গা গণহত্যা (সিলেট)

১৫

২৬ মে ১৯৭১: রক্তক্ষয়ী গণহত্যা, প্রতিরোধ ও বিশ্ব রাজনীতির অঙ্গন

১৬

ভীমনালী গণহত্যা: যে নির্মম ট্র্যাজেডি আজও এক উপেক্ষিত

১৭

২২ মে ১৯৭১: গণহত্যা, প্রতিরোধ ও আন্তর্জাতিক কূটনীতি

১৮

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার: কার ইশারায় ঢুকছে মাদক?

১৯

হত্যা মামলায় রক্তাক্ত সাংবাদিকতা

২০