ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩৩
মুক্ত মনমুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

২৫ মার্চ ১৯৭১: গণহত্যার কালরাত্রি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির লড়াই

২৫ মার্চ ১৯৭১: গণহত্যার কালরাত্রি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির লড়াই

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রি। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর শুরু করা ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির ইতিহাসে নেমে আসে এক অবিস্মরণীয় অন্ধকার। নিঃসন্দেহে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন, গণহত্যা ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বিশ্ব ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু পঞ্চাশ বছর পরেও এই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অধরাই রয়ে গেছে। কেন?

গণহত্যা: সংজ্ঞা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

‘গণহত্যা’ বা ‘জেনোসাইড’ শব্দটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিভাষায় প্রবেশ করে ১৯৪৩ সালে, পোলিশ-ইহুদি আইনবিদ রাফায়েল লেমকিনের মাধ্যমে। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ‘প্রতিরোধ ও গণহত্যার অপরাধে শাস্তি কনভেনশন’ গ্রহণ করে, যা কার্যকর হয় ১৯৫১ সালের ১২ জানুয়ারি। কনভেনশনের ২ নং ধারায় গণহত্যার সংজ্ঞা দেওয়া হয়:

“সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো জাতীয়, নৃতাত্ত্বিক, পৌত্তলিক গোত্র এবং ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ধ্বংসের অভিপ্রায়ে সংঘটিত”

এই সংজ্ঞার আলোকে যখন ১৯৭১ সালের ঘটনা বিশ্লেষণ করা হয়, তখন স্পষ্ট হয় যে বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ সব অর্থেই গণহত্যা।

গণহত্যার ঘটনাপ্রবাহ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ঢাকা শহর কাঁপতে থাকে তোপধ্বনিতে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী শুরু করে ‘অপারেশন সার্চলাইট’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল (বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হল), জগন্নাথ হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ নিরস্ত্র মানুষের ওপর চালানো হয় অন্ধ হামলা। ইকবাল হলের ওপর প্রথম ধাক্কাতেই নিহত হন ২০০ ছাত্র।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক লিখেছিলেন, “দুদিন পর্যন্ত পোড়া ঘরগুলোর জানালা-দরজায় মৃতদেহ ঝুলে থাকতে দেখা যায়। পথে-ঘাটে মৃতদেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে।”

৯ মাস ২ সপ্তাহ ৩ দিনের এই গণহত্যায় ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হন, ধর্ষণের শিকার হন ২ থেকে ৪ লক্ষ নারী, এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

গণহত্যার স্বরূপ

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর এই গণহত্যা ছিল পরিকল্পিত ও সুসংহত। জেনারেল রাও ফরমান আলী তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন, তিনি বাংলার সবুজ মাঠকে ‘রক্তবর্ণ’ করে দেবেন।

পাকিস্তানি ক্যাপ্টেনের উদ্ধৃতি দিয়ে ‘টাইম’ ম্যাগাজিনের সাংবাদিক ড্যান কগিন লিখেছিলেন:

“We can kill anyone for anything. We are accountable to no one.”

হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আর জে রুমেলের মতে, নিম্নপদস্থ সেনা ও কর্মকর্তারা ‘স্বেচ্ছায় গণহত্যায় অংশগ্রহণ করেন’। তিনি উল্লেখ করেন যে বাঙালিদের প্রায়ই বানর বা মুরগির সঙ্গে তুলনা করা হতো।

গণহত্যার সময় ব্যবহৃত নির্যাতনের পদ্ধতিগুলো ছিল ভয়ঙ্কর:

  • অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ
  • চামড়া ছিঁড়ে যাওয়া পর্যন্ত শারীরিক নির্যাতন
  • পা বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা
  • ধূমপানের আগুনে শরীর পোড়ানো
  • হাত-পায়ের নখে পুরু সূঁচ ফুটিয়ে দেওয়া
  • গরম পানিতে বারবার মাথা ডুবিয়ে রাখা
  • ক্ষতস্থানে লবণ-মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেওয়া

গণহত্যার লক্ষ্যবস্তু

আন্তর্জাতিক জুরিস্ট কমিশন ১৯৭২ সালে তাদের প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তিনটি নির্দিষ্ট অংশকে লক্ষ্য করে গণহত্যা চালায়:

১. আওয়ামী লীগের সদস্য ও সমর্থক ২. ছাত্র-জনতা ৩. হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিক

বিশেষভাবে লক্ষণীয়, হিন্দু ধর্মাবলম্বী পুরুষ, নারী, শিশু নির্বিশেষে বিশেষ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিলেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও স্বীকৃতির ব্যর্থতা

গণহত্যার সময় এবং পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আসেনি। জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ৩ জুন ১৯৭১ সালে এক চিঠিতে পূর্ব পাকিস্তানের ঘটনাকে “মানবেতিহাসের অন্যতম বিয়োগান্তক পর্ব” বলে অভিহিত করেন।

ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাড ২৭ মার্চ ১৯৭১ সালে ওয়াশিংটনে পাঠানো এক তারবার্তায় ‘সিলেকটিভ জেনোসাইড’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেন। ৬ এপ্রিল তিনি ও তাঁর ২০ সহকর্মী স্টেট ডিপার্টমেন্টে পাঠানো টেলিগ্রামে মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।

১৯৭১ সালের অক্টোবরে মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি ভারতের শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি গণহত্যার অভিযোগ আনেন।

‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’ বাংলাদেশের এই হত্যাযজ্ঞকে বিংশ শতাব্দীর পাঁচটি ভয়ঙ্কর গণহত্যার অন্যতম হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

কেন স্বীকৃতি অধরাই রইল?

১. স্নায়ুযুদ্ধের জটিলতা

১৯৭১ সালের ঘটনাটি ঘটে স্নায়ুযুদ্ধের উচ্চতায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেয়। গ্যারি ব্যাসের ‘দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম’ গ্রন্থে প্রকাশ, রিচার্ড নিক্সন ও হেনরি কিসিঞ্জার ব্যক্তিগতভাবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তারা চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার স্বার্থে পাকিস্তানকে সমর্থন দেয়।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গণহত্যার বিষয়টি কখনোই গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়নি। বরং পুরো বিষয়টি ইন্দো-পাক যুদ্ধের কাঠামোতে আলোচিত হয়।

২. আন্তর্জাতিক আইনের সীমাবদ্ধতা

গণহত্যার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া নেই। স্বীকৃতি নির্ভর করে ভূরাজনৈতিক স্বার্থের ওপর।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নিজেই স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ব্যাপক স্বীকৃতি পায়নি, ছিল না জাতিসংঘের সদস্যপদ।

৩. পাকিস্তানের অস্বীকৃতি ও কূটনৈতিক চাপ

পাকিস্তান গণহত্যার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে। তারা এই সংঘাতকে ‘গৃহযুদ্ধ’ এবং নিজেদের কর্মকাণ্ডকে ‘জাতীয় ঐক্য রক্ষার প্রয়াস’ হিসেবে আখ্যা দেয়। ১৯৭২ সালে গঠিত হামাদুর রহমান কমিশনের প্রতিবেদন ২৮ বছর ধরে চাপা রাখা হয়।

২০১৫ সালে নওয়াজ শরিফের সরকার পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে সরে এসে ইতিহাস পুরোপুরি অস্বীকার করে।

৪. বাংলাদেশের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা

স্বাধীনতার পর নবগঠিত রাষ্ট্র বাংলাদেশ জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, বৈদেশিক সাহায্য এবং জাতিসংঘের সদস্যপদের প্রয়োজনীয়তায় গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ের বিষয়টি পিছিয়ে পড়ে।

১৯৭৫ সালের পর সামরিক শাসনামলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এই ইস্যুটিকে আর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

৫. শিক্ষাবিদদের বিতর্কিত অবস্থান

সারমিলা বোসের মতো কিছু গবেষক গণহত্যার সংখ্যা ও প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। তিনি ১৯৭১ সালে শুধু ধর্মীয় ভিত্তিতে গণহত্যা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন, জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক ভিত্তিতে গণহত্যার ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

স্বীকৃতি আদায়ের সাম্প্রতিক উদ্যোগ

২০১৭ সালের ১১ মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস করে। ২০ মার্চ মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃতি আদায়ের উদ্যোগ জোরদার হয়েছে। ২০২২ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ১৯৭১ সালের গণহত্যার নিন্দা জানিয়ে রেজুলেশন ১৪৩০ উত্থাপিত হয়। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টেও এ বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপিত হয়।

আন্তর্জাতিক গণহত্যা বিশেষজ্ঞ সংস্থাগুলো বাংলাদেশের গণহত্যাকে স্বীকৃতি দিয়েছে:

  • ২০২১ সালে জেনোসাইড ওয়াচ
  • ২০২২ সালে ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন অব সাইটস অব কনসায়েন্স
  • ২০২৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলার্স (আইএজিএস)
  • আইএজিএসের ২০২৩ সালের রেজুলেশনে ৬২৬ সদস্যের মধ্যে ২১৮ জন ভোট দেন; ২০৮ জন পক্ষে, ৪ জন বিপক্ষে।

১৯৭১ সালের গণহত্যা ছিল বিংশ শতাব্দীর নৃশংসতম অধ্যায়গুলোর একটি। দৈনিক গড়ে ৬,০০০ থেকে ১২,০০০ মানুষ নিহত হয়েছিল—যা গণহত্যার ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অধরাই থেকে গেলেও বাস্তবতা অপরিবর্তিত। জার্মান দার্শনিক অ্যাঁদরে মালরো ১৯৭১ সালে বলেছিলেন, “বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ব্রিগেড গঠন করা উচিত।” তার সেই আহ্বান আজও প্রাসঙ্গিক।

যতদিন না জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে স্বীকৃতি দেয়, ততদিন মানবসভ্যতার এই কলঙ্ক অমার্জিতই থেকে যাবে। নেদারল্যান্ডসের সাবেক এমপি হ্যারি ভ্যান বোমেলের ভাষায়, “বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে ‘ভুলে যাওয়া গণহত্যা’ বলা হয়, কিন্তু জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ প্রমাণ করেছে যে এটি ভোলার নয়।”

তথ্যসূত্র

১. Global Human Rights Defence. (2024). *The Post-1971 Non-Recognition of the Bangladeshi Genocide: a Legal, Political, and Social Analysis*. ghrd.org

২. Global Human Rights Defence. (2025). Beyond Recognition: Political, Social, and Legal Barriers to Acknowledging the 1971 Bangladesh Genocide. ghrd.org

৩. New Age BD. (2026). Western countries should recognise Pakistan’s genocide in 1971. newagebd.net

৪. Ahmed, R. R. (2024). Classifying the Bangladesh Liberation War under the Genocide Convention. University of Oslo.

৫. Azad, E. (2024). Challenges to the recognition of Bangladesh genocide. Asia News Network/The Daily Star.

৬. Bangladesh Sangbad Sangstha. (2022). Mozammel for unity to realise recognition of 1971 genocide. bssnews.net

৭. Ahsan, K. H. (2021). International recognition of 1971 genocide. Bangladesh Awami League.

৮. Wikipedia contributors. (2007). Bangladesh Liberation War (revision history). Wikipedia.

৯. van Bommel, H. (2023). What’s holding the world back from recognising the 1971 genocide? The Daily Star.

১০. International Coalition of Sites of Conscience. (2022). Forgotten No More: Statement on the Bangladesh Genocide. sitesofconscience.org

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৫ মার্চের গণহত্যা স্মরণে ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে ‘আলোর মিছিল’

২৫ মার্চ ১৯৭১: গণহত্যার কালরাত্রি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির লড়াই

জামায়াতকে বিচারের আওতায় আনার দাবি / একাত্তরের গণহত্যা স্বীকৃতির প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে

২৩ মার্চ ১৯৭১: যেদিন পাকিস্তান দিবস হলো প্রতিরোধের নামে

২২ মার্চ ১৯৭১: আপসহীন সংগ্রামের ঘোষণা এবং ইয়াহিয়ার নতুন চাল

২১ মার্চ ১৯৭১: নীতির প্রশ্নে আপসহীন বঙ্গবন্ধু এবং ঘনীভূত সামরিক মেঘ

২০ মার্চ ১৯৭১: টেবিলে আশার আলো, অন্তরালে গণহত্যার নীল নকশা

১৯ মার্চ ১৯৭১: সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্ফুলিঙ্গ ও বীরত্বগাঁথা

১৮ মার্চ ১৯৭১: জান্তার তদন্ত কমিটি প্রত্যাখ্যান ও বঙ্গবন্ধুর ডাক

১৭ মার্চ ১৯৭১: ‘নরকে বসেও হাসতে পারি’, বঙ্গবন্ধুর বজ্রশপথ

১০

অস্থির ডলার, চাপে টাকা / মধ্যপ্রাচ্যের রণসংঘাতের ছায়া বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে

১১

১৫ মার্চ ১৯৭১: গণহত্যার নীলনকশা নিয়ে ঢাকায় ইয়াহিয়া, কালো পতাকায় উত্তাল বাংলা

১২

১৪ মার্চ ১৯৭১: বঙ্গবন্ধুর হাতে বাংলার শাসনভার ও ঐতিহাসিক ৩৫ দফা

১৩

১৩ মার্চ ১৯৭১: জান্তার সামরিক ফরমান বনাম বাঙালির বজ্রশপথ

১৪

ইরান যুদ্ধে যোগ না দিলে সৌদিকে ‘পরিণতি’ ভোগের হুঁশিয়ারি মার্কিন সিনেটরের

১৫

শাহরিয়ার কবিরের মুক্তি চেয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জরুরি আহ্বান

১৬

মুজতাবার প্রথম বার্তা / মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের আলটিমেটাম, হরমুজ বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি

১৭

যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত সাতজনের জন্যও শোক জানাল ত্রয়োদশ সংসদ

১৮

রাশিয়ার তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘বিশেষ অনুমতি’ চাইল বাংলাদেশ

১৯

১২ মার্চ ১৯৭১: সুপ্ত আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ ও অবরুদ্ধ পাকিস্তান

২০